মেট্রোরেলের ১৩ তম চালানে ইঞ্জিন বগি এবং যমুনা নদীর পাড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে থাইল্যান্ড পতাকাবাহী ‘এসপিএম ব্যাংকক’ জাহাজ। আজ রবিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে জাহাজটি নোঙ্গর করে। রাতের পালা থেকে চলছে বন্দরে আমদানি হওয়া এসব পণ্যের খালাস কাজ। বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার সুত্র এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিদেশী জাহাজ এমভি এসপিএম ব্যাংকক জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনসিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, গত ৫ নভেম্বর জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা বিদেশি জাহাজে মেট্রোরেলের ১৩ তম চালানে আটটি কোচ ও চারটি ইঞ্জিন ছাড়াও বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ১৭৮ প্যাকেজের দুটি ক্রেন ও মেশিনারি পণ্য এসেছে। আগামী ডিসেম্বর এবং জানুয়ারীতে আরও দুটি চালান আমদানির মধ্যে দিয়ে ১৪৪টি চালান আসা পূর্ণ হবে মেট্রোরেলের যন্ত্রাংশ।
ওয়াহিদুজ্জামান আরও বলেন, রবিবার মোংলা বন্দরে আসা মেট্রোরেলের কোচ এবং বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর মেশিনারি পণ্য খালাস চলছে। এগুলো সোমবার থেকে নদী ও সড়ক পথে ঢাকার উত্তরায় মেট্রোরেল এবং যমুনা নদীর পাড়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাছে পৌঁছানো হবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘দেশের চলমান বড় বড় মেগা প্রকল্পের পণ্য এই বন্দর দিয়ে আমদানি করে তা খালাস করা হচ্ছে। সল্প সময়ের মধ্যে বন্দরের অত্যাধুনিক ক্রেন দিয়ে এসব পণ্য খালাস করা হচ্ছে। এছাড়া নানা রকম সুযোগ সুবিধা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছে বিদেশি ব্যবসায়ীরা। এছাড়া এ বন্দর দিয়ে ব্যাবসায়ীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় মোংলা বন্দর ব্যাবহার করতে দেশী-বিদেশী আমদানী-রপ্তানীকারন ব্যাবসায়ীরা আগ্রহী হচ্ছে। এতেই প্রমান হয় মোংলা বন্দরের সক্ষমতা অগের তুলনায় দ্বিগুন প্রসারিত হচ্ছে। আগামী ২০৪১ সারে মধ্যে এ মোংলা বন্দর বিশ্বের বানিজ্যক বাজারে সুনাম অর্জন করবে বলে জানায় বন্দরের এ চেয়ারম্যান।


