খুলনা মহানগর আ’লীগ সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, মেয়র নির্বাচিত হলে কোন নতুন ট্যাক্স ধার্য্য করা হবে না। নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করে নগরজীবনকে আরো স্বাভাবিক করা হবে। নগরবাসী যাতে সহজেই তাদের ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারে সেজন্যে অনলাইন ট্যাক্স প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যে এসবের কাজ শুরু হয়েছে। ইনশালাহ নির্বাচিত হলে পরিপূর্ণভাবে অনলাইনে ট্যাক্সসহ সকল কর পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ফি যুক্তি সঙ্গত ও সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। এ সকল সুবিধার জন্য আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খুলনাকে পরিপূর্ণ ভাবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। কারো কোন কান কথায় কাজ করা যাবে না। নিজে বুঝে, শুনে এবং দেখে ভোট প্রদান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কারো কথায় বা প্ররোচণায় পড়ে ভোট দিবে না। ভোট আপনার পবিত্র আমানত। এই আমানত অযোগ্য পাত্রের প্রতীকে দিলে সেটি হবে আগামী প্রজন্মের জন্য মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনবে। সুতরাং যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে আরেকটিবার ভোট দিয়ে নগরীকে গোছানোর শেষ সুযোগ দেয়ার আহবান জানাই।
শনিবার দিনব্যাপী ১২, ১৩, ১৫, ১৭, ২৩ ও ৩১নং ওয়ার্ডসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ, উর্দু ভাষীদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আ’লীগ নেতা এড. সুজিত অধিকারী, আমিনুল ইসলাম মুন্না, মনিরুল ইসলাম বাশার, মানিকুজ্জামান অশোক, মুন্সি হুমায়ূন কবির, মোর্শেদ আহমেদ মনি, মোঃ সফিউলাহ, মোঃ আসলাম আলী, জিয়াউল আলম খান খোকন, মোঃ ফয়েজুল ইসলাম টিটো, শেখ মঞ্জুরুল আলম, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, এড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, মাসুম উর রশীদ, পারভীন আক্তার, আব্দুল জব্বার, ১, ৩ ও ৭নং ক্যাম্পের সভাপতি যথাক্রমে মোঃ সাহাবুদ্দিন আনসারী, মোহাম্মদ আলী এবং শাকিল আহমেদ, নুর ইসলাম, আজিজুল হক স্বপন, ওহিদুজ্জামান ডারউইন, প্রকৌশলী চৌধুরী মিরাজুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম তাজু, মাহমুদুল ইসলাম শাওন, তাসলিমা আক্তার, শামীমুর রহমান শামীমসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

