
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন এখন যুক্তরাষ্ট্র সফরে আছেন। তার এ সফরের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত ছিল দুই মার্কিন সংস্থা। এবার ওই দু’টি মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। এছাড়া ওই ঘটনার নিন্দাও জানিয়েছে তারা।
শুক্রবার মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হাডসন ইনস্টিটিউট ও ক্যালিফোর্নিয়ার রোনাল্ড রিগান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন থেকে চীনের কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি এই দুই সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে পারবে না।
এ বিষয়ে চীন বলেছে যে এই দুই সংস্থার প্রধানদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। তারা চীনে সফরসহ কোনো ধরনের সংযোগ রাখতে পারবে না। তাছাড়া দেশটিতে যদি ওই দুই সংস্থার কোনো সম্পত্তি থাকে তাও জব্দ করা হবে।
দেশটি জানিয়েছে, হাডসন ইনস্টিটিউট ও রিগান লাইব্রেরি একটি প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে ও সাইয়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপকে সহজতর করেছে। এটা চীনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ও মার্কিন হাইজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির মধ্যে যে বৈঠক হয়েছে তা রোনাল্ড রিগান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে অনুষ্ঠিত হয়। যদিও চীন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে যে তাইওয়ান প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ‘আগুন নিয়ে খেলছে।’
এর আগে গত বছর চীনের হুমকিকে উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এর মাধ্যমে ২৫ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কোনো রাজনীতিবিদ তাইওয়ান সফর করেন।
স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে চীন তাদের দেশের অংশ বলে গণ্য করে। কিন্তু এই দ্বীপকে ঘিরেই এখন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিরোধ দানা বাঁধছে।
সূত্র : আল-জাজিরা, বিবিসি


