খুলনা নগরীর টুটপাড়া এলাকার আলোচিত যুবলীগ কর্মী ইসমাইল হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো: ফারদিন খানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার তাদেরকে বিভিন্নস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই আসামি হলেন, মো: রায়হান মোল্লা ও সাইফুল হাওলাদার। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল, তিনটি শটগানের গুলি, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৯টি সিমকার্ড ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠন ‘বি কোম্পানি’র লোগো সম্বলিত ৫টি গেঞ্জি উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসী ফারদিন খানকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলাম। গতকাল রবিবার বিকেলে টুটপাড়া মেইনরোডে পুলিশের জালে গ্রেপ্তার হয় সে। পরবর্তীতে তার দেখানো পথ অনুসরণ করেই রাত সাড়ে ১২টার কিছুক্ষণ পর লবণচরা থানা এলাকা থেকে অপর দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, রায়হান মোল্লার কাছ থেকে বিদেশী পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি এবং সাইফুল হাওলাদারের কাছ থেকে শটগানের তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আসামি ফারদিন খানের বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা, ১টি অস্ত্র , ১ মাদক ও ১ অন্যান্য মামলা রয়েছে। সব বিষয় খাতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ সংক্রান্তে খুলনা থানায় একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এ সময় কেএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ মো: রোজাউর রহমান বলেন, মাদক কা- ও এলাকার আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইসমাইলকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গ্রেপ্তার সন্ত্রাসীরা গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ সহযোগি। সন্ত্রাসীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সাথে রাজনৈতিক কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্ঠতা নেই। যদি থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধ যতই পরিকল্পিত হোক, অপরাধী যতই সংঘবদ্ধ হোক আইনের দীর্ঘ হাত তাকে খুঁজে বের করবেই।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ টুটপাড়া বড় খালপাড় এলাকায় যুবলীগ কর্মী মোঃ ইসমাইলকে (৩২) গুলি করে হত্যা করা হয়।


