রাজধানীর বাজারে ৫৫ টাকার কমে পাওয়া যাচ্ছে না চাল। সপ্তাহে দুই থেকে তিন টাকা করে বাড়ছে বাঙালির প্রধান খাদ্যের দাম। আবার সম্প্রতি বেড়ে যাওয়া ডিমের দাম কয়েকদিনের জন্য স্বাভাবিক অবস্থানে আসলেও তা আবার বেড়েছে। ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ব্রয়লারের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা ডজন দরে।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে বাজারদরের এ চিত্র দেখা গেছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ৫৫ টাকার কমে কোনো চাল নেই। খুচরা বাজারে বিক্রি হওয়া চিকন চালের দাম ৭২ থেকে ৭৬ টাকা। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি চালের পেছনে ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। গরীবের চাল হিসেবে পরিচিত মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা কেজি দরে।
সবজির বাজারে কাঁচামরিচের দাম কমেছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। তবে ৫০ টাকার কমে সবজি মিলছে না। অন্যান্য সবজির মধ্যে কমেছে টমেটো, গাজরের দাম। কেজিতে ২০ টাকা কমে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। একই দরে বিক্রি হচ্ছে গাজর।
৫০ টাকার কমে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে। বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। কিছু কিছু সবজির ক্ষেত্রে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবুও প্রায় সকল সবজির দামই ৬০ টাকার বেশি।
বাজার ভেদে কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। যা গত শুক্রবার ৮০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হয়েছে। ঢেড়স বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি গুনতে হচ্ছে করল্লা, চিচিঙ্গা ও বরবটির জন্য।
শশা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে, পটল ৬০ টাকা, কচুর মুখী ৭০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, দুন্দল ও ঝিঙা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে।
বাজারভেদে ছোট আকারের একেকটি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা পিস দরে, মিষ্টি কুমড়ার ফালি ২০ থেকে ৩০ টাকা, কলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা।
কিছুদিন আগে হঠাৎ করে বেড়ে যায় ডিমের দাম। পরে কমেও আসে। গত সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা দরে। গত সোমবার থেকে সে দাম আবারও বাড়তে শুরু করে। এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। আর ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা।


