ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা
শরণখোলা উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ফাঁদ পেতে ঘুঘু ও বক সহ নানা প্রজাতির পাখি শিকারের মহোৎসব চলছে। এসব গ্রামে শিকারী চক্রের পেতে রাখা ফাঁদে প্রতিনিয়ত শত শত পাখি আটকা পড়ছে। কখনও প্রকাশ্যে আবার কখনও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসব নিরীহ পাখির রমরমা বানিজ্য চলছে।
মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ উপজেলার সোনাতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে কবিরুল খান (৪৫) নামের এক পাখি শিকারী কে আটক করে। এসয় তার সাথে থাকা ৬ টি ঘুঘু সহ একটি খাঁচা উদ্ধার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঐ পাখি শিকারী চক্রের সদস্য কবিরুল কে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর ই আলম সিদ্দিকী ও শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ ইকরাম হোসেন ৬ টি ঘুঘু অবমুক্ত করে উড়িয়ে দেন।
তাফালবাড়ি ফাঁড়ির এস আই কামাল হোসেন জানান, শরণখোলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ও তুলনামূলক নিরাপদ এলাকায় বিশেষ কৌশলে ফাঁদ ও জাল পেতে দেশীয় পাখি শিকার করা হচ্ছে খবর পেয়ে সোনাতলা গ্রাম থেকে কবিরুল কে আটক করা হয়েছে। সে ঐ গ্রামের মৃত হারুন খানের ছেলে।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
নুর ই আলম সিদ্দিকী বলেন, দেশী এসকল নিরীহ পাখি আমাদের জীবন ও পরিবেশ এর জন্য অপরিহার্য। পাখি শিকারী চক্রের অপতৎপরতা প্রতিহত করা হবে। এ ব্যাপারে সকল কে সচেতন থেকে সহযোগিতার আহবান জানান।


