ছুরিকাঘাতে নিহত সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টার দিকে নরসিংদীর মাধবদীর কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে বাবার পাশে তাকে নিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে তাকে। জানাজায় বুলবুলের সহপাঠীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম এবং নরসিংদীর নন্দীপাড়া গ্রামে বুলবুলের বাড়ির সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়।
২০১৬ সালে নরসিংদী সদরের কালিকুমার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে জিপিএ-ফাইভ পাওয়া বুলবুল একই বছর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে ভর্তি হন। তিনি লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের ২১৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।
গত সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজিকালুর টিলার পাশে ছুরিকাঘাতে আহত হন ২২ বছর বয়সী শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদ। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হক বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে এমন সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ছুরিকাঘাতে ছাত্র নিহতের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বুলবুল হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন করছে। আজও ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করছেন তারা। আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাড়ানোরও দাবি জানান।
পি এস/এন আই


