ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম দেশে গৌরব বয়ে এনেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। তারাই আগামীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেবেন।’
সোমবার চট্টগ্রামের কুমিরাতে বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মিসরের কায়রোর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় লিগের সহযোগিতায় এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইসলামী স্কলারদের উদ্দেশে ড. খালিদ বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তার সঙ্গে সমসাময়িক ও আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। অপার সম্ভাবনা আমাদের হাতছানি দিচ্ছে। এ জাতীয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেসব শিক্ষার্থী বের হবে তারাই আগামীদিনে পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। আমরা শুধু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব না, সমাধানের পথও খুঁজব।’
সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-মুসলেহ বলেন, ‘আমরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি শ্রেষ্ঠতম বিদ্যাপীঠ হবে এবং এ অঞ্চলের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন আজ আমরা কিছুটা দেখতে পারছি।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আযাদীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. এ জেড এম ওবায়দুল্লাহ ও কায়রো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় লিগের অধ্যাপক ড. সামী মোহাম্মদ রাবী এল-শেরিফ। বক্তব্য দেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি ড. এ কে এম আজহারুল ইসলাম, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ শামসুল আলম, জর্ডান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. নাথিয়ের মুফলেহ মুহাম্মদ ওবায়দাৎ প্রমুখ।


