খুলনা মহানগর যুবলীগের শান্তি সমাবেশে বক্তারা বলেছেন বিএনপি জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষমতায় আসতে চায়। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তির বার্তা নিয়ে জনগণের পাশে থাকতে চায়। এটাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মধ্যকার পার্থক্য। মানবাধিকার এর ইতিহাস রচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অনন্য উদাহারণ শেখ হাসিনা। যারা ক্ষমতায় থাকতে রাজপথে নামতে দেয়নি। পুলিশী হামলা, সন্ত্রাসী হামলা, জঙ্গি হামলা, গ্রেনেড হামলা করে বিরোধী মতকে যারা প্রতিহত করেছে তাদেরকে আজ শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাবেশ করার সহযোগিতা করছে শেখ হাসিনা। এটাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব। তাই আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরিতে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার বিকেলে নগরীর শঙ্খ মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মহানগর যুবলীগের শান্তি সমাবেশে এ বক্তৃতা করেন বক্তারা। নগর যুবলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ ও যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের শেখ ও মসিউর রহমান সুমনের পরিচালনায় শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন নগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। এছাড়াও বক্তৃতা করেন আ’লীগ নেতা নূর ইসলাম বন্দ, যুবলীগ নেতা কাউন্সিলর সুলতান মাহামুদ পিন্টু, কামরুল ইসলাম, মোঃ আবুল হোসেন, শওকত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, মোস্তফা শিকদার, কাজী ইব্রাহিম মার্শাল, কে এম শাহীন, ইয়াসিন আরাফাত, বিপুল মজুমদার, অভিজিৎ পাল, রফিকুল ইসলাম রফিক, ই¯্রাফিল জনি, সবুজ হাজরা, ইকবাল কবির লিটন, কাঞ্চন শিকদার, সোহাগ দেওয়ান, এজাজ আহম্মেদ, আব্দুল মালেক, ইমরুল ইসলাম রিপন, লাবু আহমেদ, শওকত হাসান, হারুন উর রশিদ, জামাল শেখ, ইব্রাহিম হোসেন তপু, জামিল আহমেদ সোহাগ, আরীফুল ইসলাম আরীফ, আসাদুজ্জামান বাবু, জব্বার আলী হীরা, রফিকুল ইসলাম রফিক, হিরন হাওলাদার, মোঃ সিনহা, বিপ্লব ধর তত্ত¡ী, পলাশ সাহা দেবু, এস এম সাঈদুজ্জামান, সাগর মজুমদার, সাদ আহমেদ খান, মোঃ বনি, প্রমুখ। শান্তি সমাবেশ শেষে একটি শান্তি মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
