অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সীমান্ত উত্তপ্ত। চিনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। এর মধ্যে আবারও অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। যদিও এই উৎক্ষেপণ পূর্বনির্ধারিতই ছিল বলে প্রতিরক্ষাসূত্রে খবর।
সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, অগ্নি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন ডিফেন্স রিসার্চ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন এর বিজ্ঞানীরা। ভারত চাইলে এবার সাত হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরের টার্গেট ধ্বংস করতে পারবেন তারা। সাধারণত অগ্নি ফাইভ পাঁচ হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।
জানা গেছে, অগ্নি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্রে কিছু পরিবর্তন করেই এর পাল্লা আরও প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার বাড়ানো হয়েছে। এএনআই এর খবরে বলা হয়েছে, অগ্নি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্রে থাকা ইস্পাত প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। এর ফলে অগ্নি ফাইভের ওজন ২০ শাতংশের বেশি কমানো সম্ভব হয়েছে।
ভারত চাইলে বিজ্ঞানীরা সাত হাজার কিলোমিটার বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে দেবেন। অগ্নি ফাইভের ওজন ৫০ টন। ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন কমলে পাল্লা বাড়ানো সম্ভব তা অগ্নি থ্রি এবং অগ্নি ফোর ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে করেছেন বিজ্ঞানীরা। অগ্নি থ্রি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ৪০ টন, পাল্লা তিন হাজার কিলোমিটার। ২০ টন ওজনের অগ্নি ফোর ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এর থেকে অনেক বেশি।
গত বৃহস্পতিবার চীনের সঙ্গে তাওয়াংয়ে সংঘাতের আবহেই অগ্নি ফাইভ পরীক্ষা করে ভারত। ওড়িশা উপকূলের কাছে বঙ্গপোসাগরে এপিজে আবদুল কালাম আইল্যান্ড থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। এক টন অর্থাৎ ১০০০ কিলোগ্রামের বেশি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র।
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে আঘাত হানতে পারবে ভারতের এই ইন্টার ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ন্যূনতম প্রতিরোধের (নীতি মেনে অগ্নি ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ এবং পরীক্ষা করেছে ভারত।


