
সুদানে যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনেই আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) ও দেশটির সরকারি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। দেশটিতে যুদ্ধবিমান ও কামান ব্যবহার করে হামলা করা হচ্ছে।
সুদানের রাজধানী খার্তুমের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক দিনেরও কম সময়ের মধ্যে দেশটির রাজধানী থেকে কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে। একই সময়ে বিমান হামলাও করা হচ্ছে।’
সুদানের সেনাপ্রধান ও কার্যত শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের নেতৃত্বে দেশটির সেনাবাহিনী সেখানকার আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত। দেশটির এ আধাসামরিক বাহিনীটির নেতৃত্বে আছেন মোহাম্মদ হামদান দাগালো।
এ দু’পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছে। দেশটিতে সোমবার রাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়। (স্থানীয় সময়ে) তখন রাত ৯টা ৪৫ মিনিট।
সুদানের এ সংঘাত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। এ সময় প্রায় ১১ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এমন সময়ে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এবার উভয়পক্ষ সরাসরি আলোচনায় অংশ নিয়ে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেছিল। এ কারণে সংঘাত থামার সম্ভাবনা ছিল।
আল জাজিরার প্রতিনিধি হিবা মরগান বলেছেন, সুদানের রাজধানীর ওমদুরমান অঞ্চলের পূর্ব অংশের বাসিন্দারা বলেছেন যে ভারী কামানের গোলাগুলির কারণে তারা বাড়ির ভিতরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার খার্তুম থেকে তিনি বলেন, “আমরা রাজধানীর কেন্দ্রীয় অংশ থেকে ধোঁয়ার ঢেউ উঠতেও দেখতে পাচ্ছিলাম। এছাড়া যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে হামলা করা হচ্ছে।
সুদানের রাজধানীর বাসিন্দারা বলেছেন যে যুদ্ধবিরতির শুরু থেকেই ভারী কামান থেকে গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে। উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
সূত্র : আল-জাজিরা


