সুন্দরবনের বনদস্যদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দিয়ে কয়রার ১৩ মৌয়ালী বাড়ি ফিরেছেন। গতকাল শনিবার (৯ জুন) বিকেলে তারা বাড়ি আসেন । মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা মৌয়ালরা হলেন, কয়রা উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মৃত নওশের গাজীর ২ পুত্র মোঃ হারুন গাজী ও আঃ গফুর গাজী ,বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মাহাতাব সরদারের পুত্র শহিদুল ইসলাম, হরিপদ সরকারের পুত্র পরিমল চন্দ্র সরকার, কাটাখালী গ্রামের মৃত সতিশ সরকারের পুত্র চরণ সরকার, মৃত শমসের গাজীর পুত্র মালিক গাজী, মৃত নওশের গাজীর পুত্র আফতাব আলী, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত হাজরা মন্ডলের পুত্র খোকন মন্ডল, মৃত বরদা কান্ত মন্ডলের পুত্র মহানন্দ মন্ডল, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আক্কাস গাজীর পুত্র কালাম গাজী, মৃত মেসের গাজীর ২ পুত্র পির আলী গাজী ও খোদা বাক্স গাজী, কাটাখালি গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেন গাজীর পুত্র হান্নান গাজ।
মৌয়ালীরা জানান, সুন্দরবনে মধু কাটতে বানিয়াখালি ফরেস্ট অফিস থেকে গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) পাস পারমিট নিয়ে সুন্দর বনে মধু কাটতে যায় এসব মৌয়ালীরা। ঐদিন বিকেলে আনুমানিক পাঁচটার দিকে শিবসা নদীর পূর্ব পাশে কুমড়ুখালী খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে মৌয়ালীদেরকে আটক করে সুন্দরবনের দোলা ভাই বাহিনী। পরে সুন্দরবনের ভিতরে একটি খালে তাদের নিয়ে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তি পণ দাবি করে। এসময় ২ নৌকায় থাকা নগদে ৪২০০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। এবং মৌয়ালীদেরকে চাপ সৃষ্টি করে বাড়িতে তাদের দিয়ে ফোন করিয়ে বিকাশ খরচ সহ ৩৬ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে শনিবার ভোর ৪ টার দিকে তাদের ছেড়ে দেয়। এবং মৌয়ালীদের নৌকায় থাকা সকল জিনিস পত্র নিয়ে নেয়। মৌয়ালীরা সুন্দরবন থেকে বানিয়াখালী ফরেস্ট অফিসে এসে আশ্রয় নেয়।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। মৌয়ালীদের সাথে কথা হয়েছে। তারা থানায় আসলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ইনশাআল্লাহ্।


