ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ বলেছেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জমির মালিকানা নির্ধারণে পয়স্তি (নদীতে পলি জমে নতুন জমি সৃষ্টি) ও সিকস্তি (নদীভাঙনে জমি বিলীন হওয়া) সংক্রান্ত সীমারেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদীভাঙন ও চর জাগার কারণে জমির অবস্থান ও আয়তন পরিবর্তিত হয়। এসব পরিবর্তনের আইনগত স্বীকৃতি দিতে এই সীমারেখা নির্ধারণ প্রয়োজন।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সার্ভেয়ারদের জন্য পয়স্তি–সিকস্তি সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের পাঠ্যক্রম চূড়ান্তকরণ সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
সিনিয়র সচিব বলেন, দেশে ভূমি বিরোধ ও অবৈধ দখল একটি বড়ো সমস্যা। এসব সমস্যা কমাতে মাঠপর্যায়ের ভূমি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পয়স্তি ও সিকস্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ খুবই জরুরি। সুষ্ঠু ভূমি ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নিয়মিতভাবে এই সীমারেখা নির্ধারণ করা দরকার।
তিনি বলেন, নদীভাঙনের সীমা সঠিকভাবে নির্ধারণ না হলে জমি নিয়ে বিরোধ, জাল দলিল এবং দীর্ঘ মামলা-মোকদ্দমা বাড়ে। এ কারণে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় কর্মরত সার্ভেয়ারদের জন্য দুই সপ্তাহের বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।
সেমিনারে ভূমি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


