ঢাকা থেকে আজ (মঙ্গলবার) সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত টিম সীতাকুণ্ডে এসেছে। সেখানে বিপজ্জনক আরও কিছু আছে কি না তা নিয়ে কাজ করছেন তারা।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১৮ ব্রিগেডের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম হিমেল মঙ্গলবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম হিমেল বলেন, ডিপো বিশাল একটি এলাকা। এখানে রাসায়নিক কনটেইনার ছিল। সেগুলো শনাক্ত করতে আমাদের কিছুটা সময় লাগে। এরই মধ্যে আমরা বেশ কিছু কনটেইনার শনাক্ত করেছি এবং বেশ কিছুটা সময় অতিক্রম হয়েছে। তাই আমরা আশা করছি আর কোনো বড় ধরনের বিপদ হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঢাকা থেকে আজ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত টিম এসেছে। এখানে বিপজ্জনক আর কিছু আছে কি না, সেগুলো নিয়ে কাজ করছে। তাদের কাজ শেষে আমরা একটি ফাইনাল রিপোর্ট পাবো।
তিনি বলেন, কিছু কনটেইনারে কাপড়ের জিনিসপত্র আছে। সেগুলোতে পানি দেওয়ার পর ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ডিপোর ডেঞ্জারাস এলাকা মার্ক করে কাউকে কাছে যেতে দেইনি। এখানে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতার পাশাপাশি এখানে ড্রেনেজ কন্ট্রোল, সিকিউরিটি কন্ট্রোল এবং প্ল্যানিং কন্ট্রোলের ব্যাবস্থা করেছে সেনাবাহিনী।
এদিকে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ৬১ ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে।
পিএসএন/এমঅাই


