জিরোনা এবং গেটাফের সঙ্গে টানা দুই ম্যাচ ড্র করার ফলে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনবে রিয়াল মাদ্রিদ- এটা ছিল অনুমেয়। সে কাজটাই করলো কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। নিজেদের মাঠে সেল্টা ভিগোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বার্সার সঙ্গে ব্যবধান ৮ পয়েন্টে নামিয়ে আনলো লজ ব্লাঙ্কোজরা।
ঘরের মাঠে মার্কো আসেনসিও এবং এডার মিলিতাওয়ের গোলে সহজ জয়টি তুলে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার খানিক আগে এবং পরে গোল দুটি করেন তারা। ৪২তম মিনিটে প্রথম গোল করেন মার্কো আসেনসিও। ৪৮তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এডার মিলিতাও।
এই জয়ের ফলে ৩০ ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট দাঁড়ালো ৬৫। ২৯ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭৩। ব্যবধান কমলেও মৌসুম শেষে রিয়ালের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ মৌসুমে আর মাত্র ৮ ম্যাচ বাকি।
আজ রাতেই বার্সেলোনা মুখোমুখি হবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের। যারা রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে। বার্সার চেয়ে ১৩ পয়েন্ট এবং রিয়ালের চেয়ে ৫ পয়েন্ট পিছিয়ে। তবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ লা লিগায় সর্বশেষ ১৩ ম্যাচ অপরাজিত। শুধু তাই নয়, টানা ৬ ম্যাচে জয় রয়েছে তাদের। সুতরাং, এই ম্যাচটি বার্সার জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ঘরের মাঠে সেল্টাকে স্বাগত জানালেও রিয়াল মাদ্রিদ শুরু থেকে কেন যেন খুব একটা আক্রমণাত্মক ছিল না। হয়তো ভাবখানা এমন, শিরোপাই জিতবো না- এত পরিশ্রম করে লাভ কি! তবে এ সুযোগে পয়েন্ট টেবিলে ১২তম স্থানে থাকা সেল্টা কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে।
কিন্তু মার্কো আসেনসিও আর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গতির সামনে সফরকারীরা আর পেরে ওঠেনি। যদিও সেল্টার পেনাল্টি এরিয়াতে অনেকক্ষণ বল নিয়ে তারা আনাগোনা করছিলো; কিন্তু ফাইনাল পাস দিতে সক্ষম হয়নি।
৪২তম মিনিটে বামপাশ থেকে বল নিয়ে উঠে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং তিনি নিচু পাস দেন আসেনসিওর উদ্দেশ্যে। বলটা নিয়েই আরেকটি নিচু শটে সেল্টার জাল ভেদ করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ৪৮তম মিনিটে ডিফেন্ডার এডার মিলিতাও শেষ গোলটি করেন। মার্কো আসেনসিও কর্নার কিক নেন। একেবারে বক্সের মুখে বলটি পড়ার আগেই দারুণ এক হেড করেন মিলিতাও। বল জড়িয়ে যায় সেল্টার জালে। শেষ পর্যন্ত এই ২-০ গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।


