
নগরীর দৌলতপুর পাবলা বনিকপাড়া এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী অঙ্কিতা ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে আগামী ২১ জুন। বহুল আলোচিত এ মামলাটি খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মতিয়ার রহমানের আদালতে বিচারাধীন। ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি নিখোঁজের ছয়দিন পর দৌলতপুর পাবলা বনিকপাড়া এলাকার বিনাপানি ভবনের নিচতলার বিউটি পার্লারের বাথরুম থেকে অঙ্কিতার লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ধর্ষণের পর হত্যা দায় স্বীকার করে ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আহমেদের কাছে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দেয় অভিযুক্ত প্রীতম রুদ্র। সে নগরীর দৌলতপুরের পাবলা বণিকপাড়ার শেখ নজির হোসেন সড়কের ২৬৫নং বিনাপানি ভবনের বাসিন্দা প্রভাত কুমার রুদ্রের পুত্র।
সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি বিকেলে খুলনার দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়া এলাকায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী অঙ্কিতা দে ছোঁয়া। এ ঘটনায় প্রথমে সাধারণ ডায়েরী ও পরবর্তীতে অপহরণ মামলা করেন অঙ্কিতার বাবা সুশান্ত দে। নিখোঁজের ছয়দিন পর একই বাড়ির নিচতলার বিউটি পার্লারের বাথরুম থেকে অঙ্কিতা দে ছোঁয়ার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাড়ির মালিক প্রভাত কুমার রুদ্রের পুত্র প্রীতম রুদ্র (২৭) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধর্ষণের পর হত্যা এবং পরে লাশ গুম করার লোমহর্ষ ঘটনার দায় স্বীকার করে ২০২১ সালের ৩০ জানুয়ারি খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আহমেদের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় অভিযুক্ত প্রীতম রুদ্র। অঙ্কিতা নিখোঁজ থেকে লাশ উদ্ধার, মামলা দায়ের ও ধর্ষক প্রীতম রুদ্র গ্রেফতারের সময়কালে খুলনাতে ব্যাপক আন্দোলন কর্মসূচি পালিত হয়। খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি এড. আব্দুল আহাদ।
মামলার বাদী নিহতের বাবা সুশান্ত দে পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

