ভাইরাস ভীতি মাথায় নিয়ে জমকালো আয়োজনে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২। ঢোকার রাস্তার মুখেই নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের লক্ষে দাঁড়িয়ে আছে নিরাপত্তাকর্মীরা। দর্শনার্থীদের মুখে মাস্ক ও শরীরের তাপমাত্রা ঠিকঠাক দেখে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন মেলার মূল ফটকে। প্রথম দিনে দর্শনার্থীদের আনাগোনা নিয়েও কিছুটা সন্তষ্ট প্রকাশকেরা।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া বাণিজ্যমেলার প্রাঙ্গণ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এমন দৃশ্য। তবে হাতুড়ির ঠুক ঠুক শব্দ শোনা যাচ্ছে। নির্মাণ হয়নি এমন অসংখ্য স্টল নির্মাণ কাজ কিছুটা বাঁধাগ্রস্থ করছে আগত দর্শনার্থীদের মেলা দর্শন।
তবে প্রকাশকদের মুখেও দেখা যাচ্ছে কিঞ্চিত খুশি। গতবারের মেলার প্রথম দিনের তুলনায় জনসমাগম কিছুটা বেশি। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই কেনাকাটা করতে দেখা গেছে তাদের। বাংলা একাডেমি স্টলের লিমন জানান, প্রথম দিন আর আয়োজনের তুলনায় ভালোই মনে হচ্ছে। ওতো ভালো বিকিকিনি না হলেও জনসমাগমে সন্তোষ প্রকাশ করছেন বেশিরভাগ প্রকাশকেরা।
এদিকে শুরুর দিন বিধিনিষেধ ভঙ্গ হওয়ার খবরে প্রাঙ্গণে ছুটে আসেন ভ্রাম্যমান আদালত। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা রানী কর্মকারের নেতৃত্বে মুখে মাস্ক না থাকায় জরিমানা করা হয় অর্ধশত দর্শনার্থীকেও। উদ্যানে দণ্ড দেওয়া হয় বাংলা একাডেমির ৬ নম্বর প্যাভিলিয়নে দুজন বিক্রয়কর্মীকে।
টিকার সনদ ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের না থাকলেও থাকতে হবে স্টল সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের কাছে। যারা মেলায় কাজ করবে তাদের কাছে বাধ্যতামূলক থাকতে হবে টিকা সনদ। অন্যদের জন্য এটা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে সবাই যাতে সনদ নিয়ে আসে সে বিষয়ে উৎসাহিত করছে কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি।
পিএসএন/এমঅাই


