
ব্যাপক উত্থান-পতনের মধ্যেও চলতি অর্থবছরে দেশে আসা রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। গত ১০ মাসে এ আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ৪০ কোটি ৯৫ লাখ ডলার বেশি।
যদিও সদ্য সমাপ্ত এপ্রিলে বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, যা ঠিক এর আগের মাসের চেয়ে ৩৪ কোটি (৩৩.৯) ডলার কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, গত মার্চে প্রবাসী আয় এসেছিল ২০২ কোটি ২৫ লাখ ডলার।
মাসভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে, গত ১০ মাসের মধ্যে জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার প্রবাসী আয় নিয়ে শুরু হয় চলতি অর্থবছর। এর পরের মাসেও (আগস্টে) এ আয় ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার নিয়ে থাকে ২০০ কোটির ঘরে। কিন্তু সেপ্টেম্বরেই নামে ব্যাপক ধস। এক ধাক্কায় এ আয় নেমে আসে ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলারে।
অক্টোবরে আরও খানিকটা কমে প্রবাসী আয় নামে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলারে। নভেম্বরে ঘুরে দাঁড়ালেও থেকেছে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলারে। ডিসেম্বরেও বেড়েছে; দেশে এসেছে ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। জানুয়ারিতে প্রায় ২০০ কোটি ডলার ছুঁয়ে ফেলা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯৫ কোটি ৮৯ কোটি ডলার। পরের মাসে (ফেব্রুয়ারি) আবার এ আয় নেমে আসে ১৫৬ কোটি ৫ লাখ ডলারে।
হিসাব বলছে, গত অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম ১০ মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৩০ কোটি ৯১ লাখ ডলার। আর এবার একই সময়ে দেশের রিজার্ভে জমা হয়েছে ১ হাজার ৭৭১ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। অর্থাৎ এ সময়ে ৪০ কোটি ৯৫ লাখ ডলার বেশি প্রবাসী আয় এসেছে দেশে।
পিএসএন/এমঅাই


