
আইন ভেঙ্গে বেশ কয়েকবার আলোচনায় এসেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। তবে এবার আইন ভেঙ্গে নয়, বিদেশ সফরে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।
গত বছর প্রধানমন্ত্রীর পদে বসার পর বিদেশ সফরের জন্য প্রাইভেট বিমানে চড়েই ৫ লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ছয় কোটির বেশি) খরচ করেছেন। এই খরচ কয়েক মাসের নয়, মাত্র ১৫ দিনের। খবর দ্য ওয়ালের।
২০২২ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই একাধিক দেশে সফরে গিয়েছিলেন সুনাক। এবার সেই সফরের খরচের তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। যা দেখে অবাক রাজনৈতিক মহল। শুরু হয়েছে প্রতিবাদও।
রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মিশরে কপ ২৭ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুনাক। সেই সফরে যাতায়াতের জন্য ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ১ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড খরচ হয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই তিনি ইন্দোনেশিয়া চলে যান জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে। সেখান থেকে দেশে ফেরেন ১৭ নভেম্বর। এই সফরে ঋষির খরচের পরিমাণ ৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড।
এছাড়া ডিসেম্বরে লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়া সফর সেরে তিনি দিনের দিনই ফিরে আসেন। তাতে প্রধানমন্ত্রী সুনাকের ৬২ হাজার পাউন্ড খরচ হয়। সম্প্রতি এই সবক’টি বিদেশযাত্রার হিসেব মিলিয়ে দেখা যায়, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের বিদেশযাত্রা বেশ ব্যয়বহুল। স্বাভাবিকভাবেই এই বিলাসবহুল বিদেশযাত্রার রিপোর্ট সামনে আসতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ইতোমধ্যে দেশটির মানুষ বলতে শুরু করেছেন যে, দেশের মানুষের করের টাকা নিয়ে এমন বেলাগাম খরচ কখনওই উচিত না। সুনাকের নিন্দায় সরব হয়েছেন বিরোধীদল লিবারেল ডেমোক্র্যাটের নেতারাও।


