
সারাদেশে তাপদাহ মুক্ত হওয়ার এক দিন পরেই আবারও তা বাড়ার খবর দিল আবহাওয়া অধিদফতর। সংস্থাটি বলছে, আজ ছয় জেলার ওপর দিয়ে মৃদ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা আরও প্রসারিত হতে পারে।
মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) রাতে আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, ফেনী, কক্সবাজার, বান্দরবান ও পটুয়াখালী জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে।আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
তিনি আরও জানান, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আজ সন্ধ্যায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বান্দরবানে ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে টানা কয়েক সপ্তাহ প্রচণ্ড গরমের ভোগান্তির পর গত রোববার (২৩ এপ্রিল) দেশকে তাপপ্রবাহমুক্ত ঘোষণা করে আবহাওয়া অধিদফতর।
চলতি এপ্রিল মাসের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় তীব্র তাপপ্রবাহ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিতে চলে যাওয়ায় প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠে জনজীবন। রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রাও ৪১ ডিগ্রির উপরে চলে যায়, যা ৫৮ বছরের রেকর্ড ভাঙে। বৃষ্টির জন্য দেশবাসী হাহাকার করে। বৃষ্টি চেয়ে নামাজও আদায় করা হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে। অবশেষে পর্যায়ক্রমে প্রায় সারাদেশেই বৃষ্টি হলে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হয়।


