চট্টগ্রামের হতাশা ভুলে ঢাকায় প্রথম ম্যাচে এসেই জয়ে ফিরেছেন খুলনা টাইগার্স। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আন্দ্রে ফ্লেচার ও সৌম্য সরকারের ঝড়ে উড়ে যায় মোসাদ্দেকের সিলেট সানরাইজার্স। সিলেট সানরাইজার্সের দেওয়া ১৪৩ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৩৪ বল হাতে রেখে এক উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মুশিফিকের খুলনা।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ১৪৩ রানের জবাবে খেলতে নেমে শুরুটা দূর্দান্ত করেন খুলনার দুই ওপেনার ফ্লেচার ও সৌম্য। আগের দুই ম্যাচ ব্যর্থ হওয়া সৌম্য এই ম্যাচে খেলেছেন ৪৩ রানের ইনিংস। ৩১ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান বাঁহাতি এই ওপেনার। ততোক্ষণে খুলনা পৌঁছে গেছে ৯৯ রানে। বাকি পথটুকু ফ্লেচার ও থিসারা পেরেরা মিলেই পেরিয়ে যান। ফ্লেচার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ক্যারিবিয় এই ব্যাটার ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪৭ বলে ৫ চার ও ৫ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন এই ওপেনার। এছাড়া লঙ্কান অলরাউন্ডার পেরেরার ৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৩৪ বল আগেই জয়ে পৌঁছে যায় খুলনা।
সিলেটের হয়ে নিয়মিত খেলা তাসকিন ইনজুরির কারনে খেলতে পারেননি। বিপিএলের অষ্টম আসরে এসে অভিষেক হয়েছে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখনের। অভিষেক ম্যাচটি অবশ্য রাঙাতে পারেনি তিনি। ৩ ওভার বোলিং করে ২০ রান খরচ করে উইকেট শূন্য ছিলেন। একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৪ রানেই সিলেটের দুই ওপেনার লেন্ডন সিমন্স (৬) ও এনামুল হক (৪) বিদায় নেন। আরেক বিদেশি ক্রিকেটার কলিন ইনগ্রাম (২) বিদায় নিলে চাপে পড়ে সিলেট। চতুর্থ উইকেটে মিঠুন ও মোসাদ্দেক মিলে ৬৮ রানের জুটি গড়েন। মোসাদ্দেক ৩০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রানে আউট হলে আবার চাপে পড়ে সিলেট। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ৭২ রানের সুবাদে সিলেট নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান করে। মিঠুন ৫১ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রানের ইনিংস খেলেন।
খুলনার বোলারদের মধ্যে খালেদ আহমেদ সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। এছাড়া নাবিল, কামরুল ও সৌম্য তিনটি উইকেট নিয়েছেন।
পি এস/এন আই


