ফিফা র্যাংকিংয়ে এক নম্বর দল বেলজিয়াম। দেশটির সোনালি প্রজন্মের ফুটবলাররা খেলছেন এবারের ইউরোয়। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডেই তাদের সামনে পড়ে গেলো ইউরোর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল।

যদিও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বেলজিয়ানরা। বিদায় নিয়েছেন রোনালদো এবং তার দেশ পর্তুগাল।

তবে শুধু ম্যাচে হার নয়, খেলার পর বড় ধরনের বিতর্কেও জড়িয়ে পড়লেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। হারের কারণে নিজের হতাশা চেপে রাখতে পারেননি। এবার রাগে-ক্ষোভে ছুঁড়ে ফেললেন অধিনায়কের আর্মব্যান্ড। শুধু তাই নয়, ম্যাচ শেষে টানেলে ফেরার পথে লাথিও মারলেন আর্মব্যান্ডে। সেই মুহূর্তের ভিডিওটিই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সিআরসেভেনের এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড দেখে সমালোচনায় মুখর ফুটবলভক্তরাও।

৩৬ বছর বয়সে এসেও চলতি ইউরোর প্রথম ম্যাচ থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। গ্রুপ অব ডেথ থেকে নকআউটেও পৌঁছে যায় ফার্নান্দো সান্তোসের ছেলেরা। এরইমধ্যে একডজনের বেশি রেকর্ডও ভেঙে ফেলেছেন সিআর সেভেন।

কিন্তু বেলজিয়ামের বিরুদ্ধেই হেরে বসলেন। ৪২ মিনিটে থোরগ্যান হ্যাজার্ডের গোলেই স্বপ্নভঙ্গ হল বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের। যে কারণে ম্যাচ শেষে দেখা গেল চরম বিতর্কিত সেই মুহূর্তটির।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একের পর এক ছবি এবং ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ম্যাচের পরই রাগে হোক বা দুঃখে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডটি মাটিতে ছুঁড়ে ফেল দেন রোনালদো। এরপর টানেলে ঢোকার মুখে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে তাতে লাথি মারেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। এরডর তার সঙ্গে থাকা এক কর্মকর্তা সেই আর্মব্যান্ডটি কুড়িয়ে নেন।

এজন্য রোনালদোর সমালোচনায় মুখর হলেন অনেকেই। তাদের বক্তব্য, ‘একজন কিংবদন্তি হয়ে ফুটবল খেলাকে সম্মান করা উচিত রোনালদোর।’

কেউ আবার লেখেন, ‘এ তো আর নতুন কিছু নয়।’ আরেকজন লেখেন, ‘গত তিনমাসে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার একই কাণ্ড ঘটালেন, এরপরও লোকে তাঁকে GOAT (সর্বকালের সেরা) বলে ডাকবে।’

প্রসঙ্গতঃ এই প্রথম নয়, এর আগে গত মার্চেই বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ম্যাচে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে একই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন সিআর সেভেন। তার গোল বাতিল করে দিয়েছিলেন রেফারি। রাগে-ক্ষোভে সেই ম্যাচেও আর্মব্যান্ড ছুঁড়ে ফেলেছিলেন রোনালদো।