
মাতিশা পাতিরানা ও মোস্তাফিজুর রহমান দুজনই চেন্নাইয়ের অটো চয়েস হয়ে খেলছিলেন। তাদের জুটি ডেথ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছিল। তবে এই মুহুর্তে দুজনের কাউকেই এবারের টুর্নামেন্টে আর পাচ্ছে না চেন্নাই। বিসিবি মোস্তাফিজকে আগেই দেশে ফিরিয়ে এনেছেন অন্যদিকে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সারাতে শ্রীলঙ্কায় ফিরে গেছেন পাতিরানাও।
পাতিরানা আইপিএলে আর ফিরবেন না তা গতকাল রাতে এক টুইটে মোটামুটি নিশ্চিত করেই ফেলেছেন, এবারের টুর্নামেন্টে তাঁকে আর দেখা যাচ্ছে না।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই চোটের সঙ্গে লড়েছেন পাতিরানা। খেলতে পারেননি প্রথম দিকের কয়েক ম্যাচেও। এরপর বেছে বেছে খেলেছেন। মূলত আইপিএলের আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে চোটে পড়েছিলেন পাতিরানা। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই বাঁ পায়ে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ছিলেন এই পেসার। সে ম্যাচে নিজের স্পেলের চতুর্থ ওভার শেষও করতে পারেননি। এরপর ছিটকে যান তৃতীয় ম্যাচ থেকে।
তখন শোনা গিয়েছিল, সেরেব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে চেন্নাই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পাতিরানার দেশে ফেরার খবর জানায়, ‘চেন্নাই সুপার কিংসের পেসার মাতিশা পাতিরানা হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন, চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য তিনি শ্রীলঙ্কায় ফিরে গেছেন।’
এরপর গতকাল রাতে পাতিরানার টুইটেই স্পষ্ট হয়েছে এবারের আইপিএলে পাতিরানাকে আর দেখা যাচ্ছে না, ‘ভাঙা হৃদয়ে বিদায় নিতে হলো, এখন চেন্নাইয়ের ড্রেসিংরুমে আইপিএল শিরোপা দেখাই আমার একমাত্র ইচ্ছা। চেন্নাই থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, দল থেকে যে আশীর্বাদ পেয়েছি তাতে কৃতজ্ঞ।’
আগামী ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চোট সারিয়ে পাতিরানা বিশ্বকাপে শুরু থেকে খেলতে পারবেন কিনা তা জানতে অবশ্য আরও অপেক্ষা কিছুদিন করতে হবে।
আইপিএলে পাতিরানা ৬ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১৩ উইকেট, রান উৎসবের আইপিএলে ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৭.৬৮ করে। অন্যদিকে মোস্তাফিজ ৯ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৪ উইকেট। দলের দুই শীর্ষ বোলারকে ছাড়া ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে জিতেছে চেন্নাই।
মোস্তাফিজ-পাতিরানার বিদায়ের পর চেন্নাইয়ের একমাত্র বিদেশি পেসার এখন রিচার্ড গ্লিসন।


