ইসলামাবাদের এক স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। জেলা ও দায়রা জজ জেবা চৌধুরীসহ সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গত ২০ আগস্ট দেশটির ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদের মারগালা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। শনিবার দেশটির পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
ফেডারেল রাজধানীর অতিরিক্ত দায়রা জজ জেবা চৌধুরীকে হুমকি দেওয়ার জন্য ইসলামাবাদ সদর ম্যাজিস্ট্রেট আলি জাভেদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইমরানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের মামলা করা হয়েছিল।
মামলার (এফআইআর) প্রতিবেদন অনুসারে, আগস্টে ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদের এফ-৯ পার্কে পিটিআইয়ের সমাবেশে ইমরান খানের বক্তৃতার পরে মারগাল্লা পুলিশের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
এফআইআরে উগ্রবাদবিরোধী আইনের ৭ নম্বর ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
এরপর ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি) ১৯ সেপ্টেম্বর নারী বিচারক ও ইসলামাবাদ পুলিশের কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার জন্য পিটিআই প্রধান ইমরানের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত করা মামলা থেকে উগ্রবাদের ধারাগুলো অপসারণের নির্দেশ দেয়।
শেষে একটি উগ্রবাদবিরোধী আদালত (এটিসি) ইমরানকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের জন্য দায়রা (নিম্ন) আদালতে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। কারণ, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি) তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করার পরে বিষয়টি আর ওই উগ্রবাদবিরোধী আদালতের এখতিয়ারে পড়েনি।
এদিকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর বিবৃতি দিয়েছে ইসলামাবাদ পুলিশ। তারা বলছে, এটা পুরোপুরি আইনি প্রক্রিয়া।
পুলিশ বলছে, ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ইমরান খানের বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে উগ্রবাদের অভিযোগ বাতিল করার পর মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। পিটিআই প্রধান সেখান থেকে জামিন নেননি। এ কারণে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
ইসলামাবাদ পুলিশের ভাষ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই বিষয়ে দায়রা (নিম্ন) আদালতের সর্বশেষ শুনানিতেও উপস্থিত ছিলেন না। তার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সেই সময়ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
সূত্র : দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউন


