
খুলনায় বাস চাপায় নানি ও নাতি দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্যানচালকসহ আরোহী ৩ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে কপিলমুনি ফাঁড়ি পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার ও দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি জব্দ করে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাইকগাছার উপজেলার কপিলমুনির কাশিমনগর শ্মশানঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পাইকগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন সাহিদা বেগম (৬০) ও তার নাতি সবুজ (২৫)। নিহত সাহিদা বেগম সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গঙ্গারামপুরের দলিল উদ্দিন খা’র স্ত্রী এবং সবুজ পাইকগাছার হরিঢালীর আজিজুল ইসলামের ছেলে।
এছাড়া আহতরা হলেন তালা উপজেলার নলতার করিম খানের ছেলে মেহেদী হাসান (২০) ও তালার গঙ্গারামপুর হাশেম গাজীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৭০), জালালপুর গ্রামের ইসলাম মোড়লের স্ত্রী ইতি বেগম (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কপিলমুনির কাশিমনগর মহাশ্মশান এলাকায় সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা থেকে যাত্রীবাহী বাস (খুলনা মেট্রো জ-০৫-০০৫৫) পাইকগাছার দিকে যাচ্ছিল। একই দিক থেকে যাত্রীবাহী মোটরভ্যান কপিলমুনির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে বাসটি ভ্যানটিকে ধাক্কা দিলে ভ্যানসহ চালক ও যাত্রীরা রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। এরপর বাসটি সাহিদার উপর দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা ভ্যানচালকসহ আহতদের উদ্ধার করে বেলা ১১টার দিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত সাহিদার নাতি সবুজ (২৫) মৃত্যুবরণ করেন। বাকি আহত ব্যক্তিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ বাসটি হেফাজতে নিলেও চালকসহ হেলপার পালিয়ে গেছে।
পাইকগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বাস চাপায় ঘটনাস্থলেই সাহিদা বেগমের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার নাতি সবুজ মারা যায়। বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।


