
শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গ্লাস ভেঙে রোগী-স্বজনসহ সাতজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে ) রাতে ঝড়ে হাসপাতালের পাঁচ ও ছয়তলার সুইংডোরের গ্লাস ভেঙে তারা আহত হন।
আহতদের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে গেছে। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চরশেরপুর ইউনিয়নের যোগিনীমুড়া গ্রামের আব্দুস সবুর প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি অন্য রোগের জন্য ভর্তি ছিলাম। রাতে প্রথমে হালকা বাতাস আর বৃষ্টি হলো দরজা বেশ কয়েকজন চাপ দিয়ে ধরে রাখার চেষ্টা করে। এরপর উপরের গ্লাস ভেঙে শরীরে পড়ে। এতে আমি আঘাত পাই।’
রোগীর স্বজন আয়েশা বেগম বলেন, ‘বাতাসে গ্লাস ভেঙে আমার রোগী হাত, মাথা ও শরীরের অন্যান্য জায়গা কেটে গেছে। কাগজপত্র সব ভিজে গেছে।’
রোগীর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, সেবা নিতে এসে যদি এমন হয়, তাহলে খুবই দুঃখজনক। গ্লাসগুলো আরও মজবুত ও পরিকল্পনা মাফিক স্থাপন করলে এমন ঘটনা হতো না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
চিকিৎসক সৈয়দ সাদ ইবনে ওয়াসীক বলেন, ঝড়ে গ্লাস ভাঙার ঘটনায় আমরা চার পাঁচজনকে কয়েকটি সেলাই দিয়েছি। তাদের কারও হাত, পা ও পিঠ কেটে গেছে। এ ছাড়া আরও আহত কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।


