
খুলনা মহানগর আ’লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যু কোন স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। বিএনপি-জামায়াতের ক্লিনহার্টের নির্মম নির্যাতনে শিকার হয়ে শারীরিকভাবে তার অর্ধমৃত্যু হয়। উন্নত চিকিৎসার কারণে তিনি বাহ্যিক সুস্থ থাকলেও দৈহিকভাবে তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। সেই নির্যাতনের জের ধরে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই তার মৃত্যু হয়। তিনি আরো বলেন, মোস্তফা রশিদী সুজা একজন কর্মী বান্ধব ত্যাগী নেতা ছিলেন। কর্মীদের বিপদের কথা শুনলে যেখানেই থাকুক তিনি ছুটে যেতেন। তিনি সংগঠনের বিস্তৃতি ঘটাতে বিভিন্ন পেশায় দলের নেতা-কর্মীদের স্থান করে দিতেন। তিনি আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে সহযোগিতা করে সকলকে সাহস যুগিয়েছেন। তিনি দুঃসময়ে কর্মীদের সাহস জুগিয়ে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তার মতো ত্যাগী নেতা ছিলো বলেই দল আজ সর্বত্র শক্তিশালী। মোস্তফা রশিদী সুজার মতো আদর্শ, ত্যাগ ও সাহসকে অনুসরণ করে প্রত্যেককে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক হুইপ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা আ’লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশীদ। এ সময় বক্তৃতা করেন জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক এড. সুজিত কুমার অধিকারী, মহানগর আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি এড. সোহরাব আলী সানা ও এড. এম এম মজিবুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শরফুদ্দিন বিশ্বাাস বাচ্চু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদীন রশিদী সুকর্ণ, সরদার আবু সালেহ, মহানগর আ’লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, সোনাডাঙ্গা থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিকউজ্জামান অশোক, জেলা মহিলা আ’লীগ সভাপতি হোসনেয়ারা চম্পা, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বি এম জাফর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবু হানিফ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি এম এ নাসিম, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি এড. সেলিনা আক্তার পিয়া, জেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা খান সাইফুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার।
