
তীব্র গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা। এর মধ্যে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও বাড়বে। এই সময়ে নেই বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাসও।
শনিবার (৮ এপ্রিল) দেশের তিন বিভাগ এবং ১১ জেলায় তাপপ্রবাহ ছড়িয়েছে। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়, ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটাই এই মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। ঢাকায় এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এদিকে আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস জানায়নি আবহাওয়া অধিদফতর। এতে গরমের মাত্রা আরও তীব্রভাবে অনুভূত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এ কারণে গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।
রমজানের শুরুতে কয়েক দিন টানা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা ছিল সহনীয় পর্যায়ে। এতে রোজাদাররা বেশ স্বস্তি অনুভব করেন। তবে গত কয়েক দিন অব্যাহতভাবে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সারা দিন রোজা রেখে অনেক ক্লান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। চিকিৎসকরা পানীয় ও তরল খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।


