
খাবার সংরক্ষণের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি পণ্য রেফ্রিজারেটর। বিশেষত যারা কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত সময় পার করেন, রান্না বা বাজার করার খুব একটা সময় পান না— তাদের জন্য ফ্রিজের মতো দরকারি জিনিস আর একটিও নেই। মাছ, মাংস থেকে শুরু করে শাক-সবজি ফ্রিজে সতেজ থাকে কিছু দিন।
সমস্যা হচ্ছে ফ্রিজে নানা ধরনের খাবারদাবার রাখার কারণে একটা বিদঘুটে গন্ধ সৃষ্টি হয়। অনেকসময় ফ্রিজ খুললেই এই গন্ধ নাকে এসে লাগে। কিছু সহজ উপায় কাজে লাগিয়ে ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করা যায়। চলুন জেনে নিই
সঠিক পাত্র
রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখতে চাইলে অবশ্যই বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। বিভিন্ন খাবারের গন্ধ মিশে অনেক সময়ে ফ্রিজে গন্ধ হয়। তাই এমন পাত্রে খাবার রাখুন, যাতে খাবারের গন্ধ ফ্রিজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।
সঠিক তাপমাত্রা
ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রাই ফ্রিজের জন্য আদর্শ। তাপমাত্রা ঠিক না থাকলে ফ্রিজের ভিতরে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায়, যা বাজে গন্ধ তৈরি করতে পারে। এদিকে নজর দিন।
বেকিং সোডা
দুর্গন্ধ দূর করতে উপকারি একটি উপাদান বেকিং সোডা। গরম পানিতে বেকিং সোডা গুলে তাতে কাপড় ভিজিয়ে মুছতে পারেন ফ্রিজ। এতে আর গন্ধ হবে না। আবার পানিতে বেকিং সোডা গুলে একটি পাত্রে ফ্রিজের ভিতরে রেখে দিলেও গন্ধ কমে অনেকটা।
ভ্যানিলা এসেন্স
সুঘ্রাণযুক্ত এই উপাদানটি ব্যবহার করতে পারেন ফ্রিজের গন্ধ তাড়াতে। ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভেজানো এক টুকরো তুলা রেখে দিতে পারেন ফ্রিজের এক কোণায়। গন্ধ কমে যাবে।
কফি গুঁড়ো
কফির ঘ্রাণ কার না ভালো লাগে? একটি প্লেটে অল্প কফি গুঁড়ো চব্বিশ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। মুক্তি মিলবে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে।
এসব টোটকা মানার পাশাপাশি নিয়মিত ফ্রিজ পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন। শাকসবজি বা মাছ, মাংস, এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এতে খাবারের গুণমান যেমন বজায় থাকে, তেমনই দুর্গন্ধ সৃষ্টির সমস্যা কমে।


