
জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আমীর এজাজ খান বলেছেন, দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থ লুটেরা বুঝে গেছে জনগণ তাদের আর ক্ষমতার মসনদে থাকতে দেবে না। তাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে নিশিরাতের ভোট ডাকাত মাফিয়া সরকার মরণ কামড় দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশ ও জাতির এ ক্রান্তিকালে দেশবাসীর ভোট ও ভাতের অধিকার পুনরুদ্ধারে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর প্রতি উদাত্ত আহŸান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, চলমান কর্মসূচি শুধু বিএনপি তথা তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটা আপামর জনগণের দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও কর্মসূচি। বিএনপি’র এক দফার আন্দোলন সফল হলে সমগ্র জাতি কলঙ্কিত দুঃশাসন থেকে মুক্তি পাবে। দেওলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্ত থেকে রক্ষা পাবে প্রিয় মাতৃভূমি। দেশের মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল রবিবার দুপুরে নগরীর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংগঠনিক সভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। সাংগঠনিক এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছেন।
সিদ্ধান্ত সমূহের মধ্যে দলের ব্যানার ব্যবহার করে বিচ্ছিন্ন ভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, জেষ্ঠ্য নেতাদের সাথে চরম দৃঢ় ব্যবহার ও সর্বশেষ খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি’র প্রতিবাদ সমাবেশে সৃষ্ট ঘটনাটি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালকে অবহিত করে সাংগঠনিক কঠোর শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি।
অন্যদিকে, রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি পুনঃ গঠনে পৃথক সাংগঠনিক টীম গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রূপসার দলনেতা আশরাফুল আলম নান্নু, সদস্য মোঃ হাফিজুর রহমান ও শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু; দিঘলিয়ার দলনেতা মোলা মোশাররফ হোসেন মফিজ, সদস্য এস এম রফিকুল ইসলাম বাবু ও তারভীর উল আজম রুম্মান; তেরখাদার দলনেতা শেখ আবু হোসেন বাবু, সদস্য মোঃ ইলিয়াস হোসেন মলিক ও মোঃ সাইদুজ্জামান খান। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এসব সাংগঠনিক টীমকে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা বিএনপি’র সার্বিক অবস্থার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে এক সপ্তাহের মধ্যে পাইকগাছা ও চালনা পৌরসভা বিএনপি’র সকল ওয়ার্ড কমিটি জেলা বিএনপি’র দপ্তরে জমা দিকে নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া তাঁতীদলের উপজেলা কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএনপি নেতাদের সার্বিক সহযোগিতার অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক সাইফুর রহমান মিন্টু, মোলা মোশাররফ হোসেন মফিজ, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, এস এম শামীম কবির ও আশরাফুল আলম খান নান্নু, সম্মানিত সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ, চৌধুরী কওসার আলী, ডাঃ আবদুল মজিদ, খায়রুল ইসলাম খান জনি, এড. আবদুস সাত্তার, অসিত কুমার সাহা, শাকিল আহমেদ দিলু, একেএম শহীদুল আলম, ইলিয়াস হোসেন মলিক, মোঃ হাফিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান লেলিন, চৌধুরী আবদুস সবুর, খন্দকার ফারুক হোসেন, সেলিম সরদার, রফিকুল ইসলাম বাবু, তানভীর উল আজম রুম্মান, সাইদুজ্জামান খান, সরদার আব্দুল মালেক, রাহাত আলী লাচ্চু, মনির হাসান টিটো, হাবিবুর রহমান রিটু, শেখ আবুল বাশার, নূরুল আমীন বাবুল, শাহাদাত হোসেন ডাবলু, দিদারুল হোসেন, হেলাল উদ্দিন ও জাফরী নেওয়াজ চন্দন প্রমুখ।


