ক্যারিয়ারের ২০ বছরে এসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পেলেন নতুন অভিজ্ঞতা। আচারণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরর্বতী ম্যাচে দল থেকে বাদ পড়লেন এই পর্তুগিজ তারকা। এমন শাস্তির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের কান্ডের জন্য দিলেন বিবৃতি।
বুধবার ঘরের মাঠে টটেনহ্যামের হটস্পারের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই ম্যাচে একাদেশে ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কোচ টেন হাগ বদলি হিসাবেও নামাননি পর্তুগিজ তারকাকে।ম্যাচের শেষের দিক দেখা যায় ডাগআউট ছেড়ে চলে যান সিআরসেভেন। বিষয়টিকে ভালোভাবে নেননি ম্যানইউ কোচ। এমন আচরণের জন্য এক ম্যাচের বহিস্কারের শাস্তি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তাই রোনালদোকে চেলসির বিপক্ষের মাঠে দেখবেনা ইউনাইটেড দর্শকেরা।
অবশ্য রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার জন্য সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন কোচ। ইংলিশ গণমাধ্যমগুলোতে ইউনাইটেড কোচ টেন হাগ বলেন,টটেনহ্যামের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দুই চার মিনিটের জন্য সিআরসেভেন কে মাঠে নামাতে চেয়েছিলাম। সেটা মেনে নিতে না পেরেই ম্যাচ শেষের আগে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার এই অপ্রত্যাশিত আচরণের শাস্তি পেয়ে নিজের ভুলটা বুঝতে পেরেছেন পর্তুগিজ তারকা।
তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে লম্বা স্ট্যাটাস দিয়ে রোনালদো বলেন,আমি আমার পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই সতীর্থ, পরামর্শক আর কোচদের সম্মান রক্ষা করে খেলে যেতে চেয়েছি। এর পরিবর্তন এখনো হয়নি। আমিও বদলায়নি। ২০ বছরের অভিজাত ফুটবল ক্যারিয়ারে আমি আগে যেমনটা ছিলাম,এখনো তেমনই আছি। আমার সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় শ্রদ্ধার বিষয়টি সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সব ভুলে ম্যানইউর হয়ে খেলায় মনোযোগ দিতে চান রোনালদো। তাই রোনালদো আরো বলেন,আমি সব সময়ই তরুণদের জন্য উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত সব সময় এটা সম্ভব নয়। এখন আমার মনে হচ্ছে,ক্যারিংটনে কঠিন পরিশ্রম করে যেতে চাই। সতীর্থদের সাহায্য করতে চাই। আর চাই ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের সেরাটা দিতে। চাপের কাছে ভেঙে পড়াটা কোনো কাজ নয়।


