
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোট চলাকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিএমপি)।
শনিবার (২২ জুলাই) মামলাটি বনানী থানা থেকে তদন্তের জন্য ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার রিফাত হোসেন শামীম। তিনি জানান, তারা মামলার নথিপত্র বুঝে পেয়েছেন। তারা সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।
ডিবি জানায়, এ ঘটনায় গ্রেফতার ছানোয়ার কাজী ও বিপ্লব হোসেনকে তিন দিনের রিমান্ড নেওয়া হয়েছিল। আজ ছিল শেষ দিন। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে গ্রেফতার মানিক গাজী, আল আমিন ও মাসুদ তালুকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। বাকিরা কারাগারে আছেন।
গত ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনের দিন গুলশানের বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুলের গেটের সামনে হিরো আলমকে প্রকাশ্যে মারধর করেন ৫০ থেকে ৬০ জন যুবক। এসময় তারা তাকে কিলঘুষি মারতে মারতে মাটিয়ে ফেলে দেন। মাটি থেকে হিরো আলম ওঠে দৌড় দেন। এসময় তাকে আবারও ধাওয়া দেওয়া হয়।
ঘটনার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ডিবি দুইজনকে গ্রেফতার করে। এরপর আরও দুইজনকে গ্রেফতর করা হয়। সব মিলে ডিবির হাতে সাতজন গ্রেফতার হয়েছেন। অন্যদিকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১০ জনকে। এই তালিকায় বৃহস্পতিবার গ্রেফতার কারওয়ানবাজার পিকআপ মালিক সমিতির সভাপতি তালুকদার মাসুদের পাশাপাশি শ্রমিক নেতা লিটনও রয়েছেন।
এ ঘটনায় হিরো আলমের ব্যক্তিগত সহকারী সুজন রহমান শুভ গত ১৮ জুলাই বাদী হয়ে বনানী থানায় মামলাটি করেন। গত বৃহস্পতিবার ডিবিতে হিরো আলমকে ডাকা হয়েছিল। তিনি ডিবির সাথে কথা বলে বের হয়ে সাংবাদিকদের জানান, এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন তিনি করবেন না।


