খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন খুলনার ৫ আওয়ামী লীগ নেতা। ইতোমধ্যে অনেকেই মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন। আগামী ১৭ অক্টোবর নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে চলেছেন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে কারা প্রার্থী হবেন রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা আলোচনা। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিগত দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলের মধ্যে এ নির্বাচন নিয়ে নেই কোনো তৎপরতা। বিএনপি আগে ভাগে এ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী পাঁচ নেতা হলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আইনজীবী সুজিত অধিকারী, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি খুলনার সভাপতি অধ্যক্ষ দেলওয়ারা বেগম, জেলা আ’লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও তেরখাদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, নগর আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট জেলা পরিষদের নির্বাচন-২০২২ এর তফসীল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার থাকবেন জেলা প্রশাসক। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন ১৫ সেপ্টেম্বর। যাচাই-বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৫ সেপ্টেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর। ভোট গ্রহণ ১৭ অক্টোবর। এবারের নির্বাচনে খুলনার একটি কেন্দ্রে ইলেকট্রো ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
জেলা পরিষদের এ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৭৮ জন।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট নির্বাচন কমিশন তিন পার্বত্য জেলা বাদ দিয়ে ৬১ জেলা পরিষদে ভোটের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এতে সারাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত ৬৩ হাজারের বেশি জনপ্রতিনিধি ভোট দেবেন।


